বারবার ব্রণ ওঠে কেন? ডার্মাটোলজিস্টের সহজ ব্যাখ্যা

ব্রণ

একটু ভালো খাবার খেলেন, বা সামনে কোনো অনুষ্ঠান, আর ঠিক তখনই মুখে উঁকি দিল অনাকাঙ্ক্ষিত ব্রণ। এই সমস্যাটা কি আপনার খুব পরিচিত? অনেকেরই ব্রণ একবার সেরে গেলেও কিছুদিন পর আবার ফিরে আসে। এই বারবার ব্রণ ওঠে কেন, এই প্রশ্নটি আমাদের ক্লিনিকে আসা রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে কমন।

ব্রণ শুধু ত্বকের একটি সমস্যা নয়, এটি আমাদের আত্মবিশ্বাসের ওপরও বড় প্রভাব ফেলে। অনেকেই ভাবেন, শুধু কৈশোরেই ব্রণ হয়, কিন্তু সত্যিটা হলো, প্রাপ্তবয়স্কদেরও এই সমস্যা হতে পারে। এর পেছনে লুকিয়ে আছে নানা কারণ। এই লেখায় আমরা একজন ডার্মাটোলজিস্টের দৃষ্টিকোণ থেকে জানবো ব্রণ ফিরে আসার পেছনের সহজ বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এবং এর থেকে মুক্তির উপায়।

ব্রণ আসলে কী এবং এটি কীভাবে তৈরি হয়?

ব্রণ কেন হয় তা বুঝতে হলে আগে জানতে হবে এটি কীভাবে তৈরি হয়। আমাদের ত্বকের নিচে সেবাসিয়াস গ্ল্যান্ড (Sebaceous Gland) বা তেল গ্রন্থি থাকে। এই গ্রন্থির কাজ হলো ‘সেবাম’ (Sebum) নামক এক ধরনের প্রাকৃতিক তেল তৈরি করা, যা ত্বককে মসৃণ ও আর্দ্র রাখে।

এই সেবাম এবং ত্বকের মৃত কোষগুলো যখন ত্বকের ছিদ্র বা লোমকূপকে (Pore) বন্ধ করে দেয়, তখনই ব্রণের সূচনা হয়। এই বন্ধ লোমকূপে যখন এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া (Propionibacterium acnes বা P. acnes) বাসা বাঁধে, তখন সেখানে প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন হয়।

এর ফলেই ত্বক ফুলে ওঠে, লাল হয় এবং ব্যথা করে, যাকে আমরা ব্রণ বলি। কখনো এটি সাদা পুঁজসহ (Pustule) দেখা দেয়, আবার কখনো শক্ত ও যন্ত্রণাদায়ক গুটির (Cyst) মতো হয়।

বারবার ব্রণ ওঠার পেছনের মূল কারণগুলো

আপনি হয়তো ভাবছেন, আমি তো মুখ পরিষ্কার রাখি, তবুও কেন আমার ব্রণ হয়? এর কারণ হলো, ব্রণ হওয়ার প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল। এর পেছনে শুধু ময়লা দায়ী নয়, বরং আপনার শরীরের ভেতরের অনেক কিছুই এর সাথে জড়িত।

১. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: বারবার ব্রণ হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ‘ভিলেন’ হলো হরমোন। বিশেষ করে অ্যান্ড্রোজেন (Androgen) নামক হরমোন সেবাম গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে তোলে, যার ফলে ত্বকে তেলের উৎপাদন অনেক বেড়ে যায়।

বয়ঃসন্ধিকালে এই হরমোনের আধিক্যেই ব্রণ বেশি দেখা দেয়। তবে প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের ক্ষেত্রে পিরিয়ডের আগে-পরে, গর্ভাবস্থায় বা পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (PCOS) থাকলে হরমোনের তারতম্যের কারণে ব্রণ কেন হয়, তার উত্তর পাওয়া যায়।

২. জেনেটিক্স বা বংশগত প্রবণতা: দুঃখজনক হলেও সত্যি, ব্রণের প্রবণতা আপনি আপনার বাবা-মায়ের কাছ থেকেও পেতে পারেন। যদি আপনার পরিবারের অন্যদের ব্রণের মারাত্মক সমস্যা থাকে, তবে আপনারও হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

এটি নির্ধারণ করে দেয় আপনার ত্বক কতটা সেবাম তৈরি করবে বা আপনার ত্বক মৃত কোষগুলোকে কতটা দক্ষতার সাথে ঝেড়ে ফেলতে পারবে। তাই বংশগত কারণেও আপনার তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নেওয়ার পদ্ধতি অন্যদের চেয়ে আলাদা হতে পারে।

খাদ্যাভ্যাস কি ব্রণের জন্য দায়ী?

“বেশি ভাজাপোড়া খেলেই ব্রণ ওঠে“, এই কথাটা আমরা সবাই শুনেছি। যদিও কোন একটি নির্দিষ্ট খাবার সরাসরি ব্রণ তৈরি করে না, তবে কিছু খাবার ব্রণের প্রবণতা বাড়িয়ে দিতে পারে।

উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (High-GI) ফুড: সাদা রুটি, পাস্তা, চিনিযুক্ত পানীয় বা মিষ্টি জাতীয় খাবার রক্তে হঠাৎ করে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এই চিনি সামলাতে শরীর ইনসুলিন হরমোন নিঃসরণ করে। এই ইনসুলিন অ্যান্ড্রোজেন হরমোনকে দেয়, যা সেবাম উৎপাদন বাড়িয়ে ব্রণের কারণ হতে পারে।

দুগ্ধজাত খাবার (Dairy): কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার (বিশেষ করে স্কিমড মিল্ক) কারো কারো ক্ষেত্রে ব্রণের প্রবণতা বাড়ায়। এর কারণ দুধে থাকা কিছু গ্রোথ হরমোন সেবাম উৎপাদনকে প্রভাবিত করতে পারে।

তবে এর মানে এই নয় যে, আপনাকে সব বাদ দিতে হবে। কোন খাবারে আপনার সমস্যা বাড়ছে, সেটা খেয়াল করুন এবং ডায়েট থেকে সাময়িক বাদ দিয়ে দেখুন ব্রণের উন্নতি হয় কি না।

জীবনযাত্রার যে ভুলগুলো ব্রণ বাড়িয়ে দেয়

অনেক সময় আমাদের প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাসও ব্রণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আপনি হয়তো টেরও পাচ্ছেন না, কিন্তু আপনার জীবনযাত্রাই আপনার ব্রণকে বারবার ফিরিয়ে আনছে।

মানসিক চাপ (Stress): অতিরিক্ত মানসিক চাপে থাকলে শরীর ‘কর্টিসল’ (Cortisol) নামক স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণ করে। এই কর্টিসলও সেবাম গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে, যার ফলে ব্রণের ব্রেকআউট দেখা দেয়। তাই পরীক্ষার আগে বা কাজের চাপে অনেকের ব্রণ বেড়ে যায়।

অপর্যাপ্ত ঘুম: ঘুমের সময় আমাদের শরীর এবং ত্বক নিজেকে মেরামত করে। ঠিকমতো ঘুম না হলে এই মেরামত প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, ত্বকে প্রদাহ বাড়ে এবং হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়, যা সরাসরি ব্রণের ওপর প্রভাব ফেলে।

ভুল স্কিনকেয়ার প্রোডাক্ট: সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি হলো ভুল প্রোডাক্ট ব্যবহার করা। ‘কমেডোজেনিক’ (Comedogenic) লেখা প্রোডাক্টগুলো ত্বকের লোমকূপ বন্ধ করে দেয়। আপনার ত্বক তৈলাক্ত হলেও আর্দ্রতা প্রয়োজন, কিন্তু অনেকেই ত্বক ‘খসখসে’ করার জন্য অতিরিক্ত ক্ষারযুক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন, যা ত্বককে আরও শুষ্ক করে ফেলে। তখন ত্বক সেই শুষ্কতা পূরণ করতে দ্বিগুণ তেল উৎপাদন শুরু করে।

বারবার একই জায়গায় ব্রণ কেন ওঠে?

এটাও খুব কমন একটা প্রশ্ন। গালের ঠিক একই জায়গায় বা থুতনিতে কেন বারবার ব্রণ হয়? এর পেছনে কিছু যান্ত্রিক কারণও থাকতে পারে।

১. ফোন ও বালিশের কভার: আপনি কি খেয়াল করেছেন, আপনি যে পাশে ফোন কানে ধরে কথা বলেন, সেদিকের গালেই ব্রণ বেশি? এর কারণ হলো ফোনের স্ক্রিনে লেগে থাকা ব্যাকটেরিয়া ও তেল। একইভাবে, নিয়মিত বালিশের কভার পরিষ্কার না করলে তাতে জমে থাকা তেল-ময়লা ও ব্যাকটেরিয়া ত্বকের সংস্পর্শে এসে লোমকূপ বন্ধ করে দেয়।

২. বারবার মুখে হাত দেওয়া: আমাদের হাতে সারাদিনে অসংখ্য জীবাণু লেগে থাকে। অবচেতন মনেই আমরা যখন মুখে হাত দিই, সেই জীবাণু ত্বকে স্থানান্তরিত হয় এবং ব্রণের কারণ হয়।

৩. অসম্পূর্ণ নিরাময়: অনেক সময় একটি ব্রণ পুরোপুরি সেরে ওঠার আগেই তার গোড়ায় আবার ইনফ্ল্যামেশন শুরু হয়। বিশেষ করে সিস্টিক অ্যাকনে (Cystic Acne), যা ত্বকের অনেক গভীরে তৈরি হয়, সেগুলো বারবার একই জায়গায় ফিরে আসতে পারে যদি না ভেতর থেকে পুরোপুরি চিকিৎসা করা হয়।

ব্রণের চিকিৎসা: আপনার কী করা উচিত?

ব্রণ হলে প্রথম এবং প্রধান উপদেশ হলো, খোঁটাখুঁটি বা ফাটানোর চেষ্টা না করা। এতে ইনফেকশন আরও ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থায়ী ব্রণের দাগ দূর করার উপায় খোঁজা আরও কঠিন হয়ে যায়।

প্রাথমিক চিকিৎসা (OTC): যদি ব্রণ সামান্য হয়, তবে ওভার-দ্য-কাউন্টার (OTC) সলিউশন দিয়ে ব্রণের চিকিৎসা শুরু করতে পারেন। স্যালিসাইলিক অ্যাসিড (Salicylic Acid) যুক্ত ফেসওয়াশ লোমকূপের ভেতর থেকে তেল-ময়লা পরিষ্কার করে। বেনজয়াইল পারক্সাইড (Benzoyl Peroxide) ক্রিম বা জেল ব্রণের ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে।

কখন ডার্মাটোলজিস্ট দেখাবেন: যদি এইসবে কাজ না হয়, বা ব্রণ খুব বেশি, বড় ও যন্ত্রণাদায়ক হয়, তবে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নিন। তিনি আপনার ব্রণের ধরন ও কারণ বিশ্লেষণ করে সঠিক চিকিৎসা দেবেন।

এর মধ্যে থাকতে পারে প্রেসক্রিপশন-গ্রেড রেটিনয়েডস (Retinoids), যা ত্বকের কোষ ঝরে পড়ার প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক করে। অথবা প্রয়োজন হলে খাওয়ার অ্যান্টিবায়োটিক বা হরমোনাল থেরাপিও দেওয়া হতে পারে।

আধুনিক ডার্মাটোলজিক্যাল ট্রিটমেন্ট

যখন সাধারণ চিকিৎসায় কাজ হয় না বা ব্রণ খুব মারাত্মক আকার ধারণ করে, তখন আমরা কিছু আধুনিক ট্রিটমেন্টের সাহায্য নিই। এই চিকিৎসাগুলো ব্রণের পাশাপাশি ব্রণের দাগ কমাতেও দারুণ কার্যকর।

কেমিক্যাল পিলিং (Chemical Peeling): এটি একটি জনপ্রিয় ব্রণের চিকিৎসা। এতে বিভিন্ন ধরনের সেফ-অ্যাসিড (যেমন গ্লাইকোলিক বা স্যালিসাইলিক অ্যাসিড) নিয়ন্ত্রিতভাবে ত্বকে প্রয়োগ করা হয়। এটি ত্বকের উপরের মরা কোষের স্তরটি সরিয়ে দেয়, লোমকূপ পরিষ্কার করে এবং সেবাম উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে।

লেজার থেরাপি: কিছু নির্দিষ্ট লেজার (যেমন IPL বা পালসড ডাই লেজার) ব্রণের প্রদাহ কমাতে এবং ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এটি লালচে ভাব কমাতেও কার্যকর।

মাইক্রোনিডলিং (Microneedling): যদিও এটি মূলত ব্রণের দাগ দূর করার উপায় হিসেবে পরিচিত, তবে এটি সক্রিয় ব্রণ কমাতেও সাহায্য করতে পারে। এটি ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে ত্বককে পুনর্গঠিত হতে সাহায্য করে।

ব্রণ প্রতিরোধে প্রতিদিনের রুটিন (সবার জন্য জরুরি)

ব্রণ একবার সেরে গেলেই হবে না, এটি যেন ফিরে না আসে তার জন্য একটি রুটিন মেনে চলা জরুরি। বিশেষ করে তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।

১. সঠিক ক্লিনজিং: দিনে দুবার (সকালে এবং রাতে ঘুমানোর আগে) একটি জেন্টল, নন-কমেডোজেনিক (Non-Comedogenic) ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। অতিরিক্ত মুখ ধোয়া বা জোরে জোরে ঘষা থেকে বিরত থাকুন, এতে ত্বক আরও তৈলাক্ত হতে পারে।

২. ময়েশ্চারাইজার বাদ দেবেন না: তৈলাক্ত ত্বকেরও ময়েশ্চারাইজার প্রয়োজন। একটি অয়েল-ফ্রি, ওয়াটার-বেসড বা জেল-বেসড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এটি ত্বককে হাইড্রেটেড রাখবে এবং অতিরিক্ত সেবাম উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করবে।

৩. সানস্ক্রিন অপরিহার্য: ব্রণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অনেক উপাদান (যেমন রেটিনয়েডস) ত্বককে সূর্যের প্রতি সংবেদনশীল করে তোলে। তাছাড়া, রোদ ব্রণের দাগকে আরও গাঢ় ও স্থায়ী করে ফেলে। তাই প্রতিদিন বাইরে বের হওয়ার আগে অবশ্যই SPF 30 বা তার বেশি একটি ব্রড-স্পেকট্রাম, নন-কমেডোজেনিক সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

সারসংক্ষেপ

বারবার ব্রণ ওঠা একটি জটিল সমস্যা, যার পেছনে হরমোন, জেনেটিক্স, খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রার মতো অনেক কিছুই জড়িত। শুধু ত্বক পরিষ্কার রাখাই এর সমাধান নয়। এর পেছনের মূল কারণটি খুঁজে বের করা জরুরি। সামান্য ব্রণের জন্য সঠিক স্কিনকেয়ার রুটিন এবং OTC ট্রিটমেন্টই যথেষ্ট। কিন্তু সমস্যা যদি গুরুতর বা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে সংকোচ না করে একজন ডার্মাটোলজিস্টের সাহায্য নিন। সঠিক চিকিৎসায় ব্রণ এবং ব্রণের দাগ, দুটোই নিরাময় করা সম্ভব।

ব্রণ নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন ১: তৈলাক্ত ত্বক মানেই কি ব্রণ হবে? 

উত্তর: তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ হওয়ার ঝুঁকি বেশি, কারণ অতিরিক্ত সেবাম লোমকূপ বন্ধ করে দেয়। তবে এর মানে এই নয় যে সবারই হবে। সঠিক তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নিলে, যেমন নিয়মিত পরিষ্কার রাখা এবং নন-কমেডোজেনিক প্রোডাক্ট ব্যবহার করলে, ব্রণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

প্রশ্ন ২: ব্রণের দাগ পুরোপুরি দূর করা কি সম্ভব? উত্তর: 

এটি নির্ভর করে দাগের ধরনের ওপর। লালচে বা বাদামি দাগ (PIH) সময়ের সাথে সাথে এবং সঠিক চিকিৎসায় (যেমন ভিটামিন সি, সানস্ক্রিন) পুরোপুরি চলে যায়। তবে গর্ত হয়ে যাওয়া বা অ্যাট্রোফিক স্কারের জন্য আধুনিক ব্রণের দাগ দূর করার উপায় যেমন – কেমিক্যাল পিল, মাইক্রোনিডলিং বা লেজার থেরাপির প্রয়োজন হয়, যা দাগগুলোকে ৯০% পর্যন্ত উন্নত করতে পারে।

প্রশ্ন ৩: মেকআপ ব্যবহার করলে কি ব্রণ বাড়ে? 

উত্তর: যদি আপনি ‘অয়েল-ফ্রি’ এবং ‘নন-কমেডোজেনিক’ লেবেলযুক্ত মেকআপ প্রোডাক্ট ব্যবহার করেন এবং রাতে ঘুমানোর আগে খুব ভালোভাবে মেকআপ পরিষ্কার করেন, তবে ব্রণ বাড়ার কথা নয়। সমস্যা হয় মেকআপ ঠিকমতো না তুললে বা লোমকূপ বন্ধ করে এমন ভারী প্রোডাক্ট ব্যবহার করলে।

প্রশ্ন ৪: ব্রণের চিকিৎসায় কতদিন সময় লাগে? 

উত্তর: ব্রণের চিকিৎসায় ধৈর্য প্রয়োজন। এটি রাতারাতি সেরে যায় না। যেকোনো নতুন ট্রিটমেন্ট বা প্রোডাক্টের ফল দেখতে সাধারণত ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ সময় লাগে। সম্পূর্ণ ফলাফল পেতে ৩ থেকে ৬ মাসও লাগতে পারে।


Vitiligo Treatment

Related Blog

REQUEST FOR YOUR

Consultation